
শিলিগুড়ির সবচেয়ে পুরানো মহিলা কাউন্সিলর তিনি, আমি গত দশ বছর এর বেশী সময় ধরে জনপ্রতিনিধি তাই মানুষের দরকার কি রকম হতে পারে এবং তাদের কি কি চাহিদা হতে পারে আমি ভালো বুঝতে পারি। শ্রাবনী দত্ত আরো জানালেন আমার এখন একটাই লক্ষ সাধারন মানুষের জন্য পরিষেবা দেওয়া। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ১৪ নং ওয়ার্ড অফিসে ভিড় লেগেই থাকছে।
আর মানুষের কাছে পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। এর মধ্যে পুরসভার কাজ। আমাকে যেতেও হচ্ছে। সবই করে চলেছি, আর জনপ্রতিনিধি বলে আমার দায়িত্ব অনেক অনেক বেশী। আমার সবচাইতে বড় লক্ষ্য মানুষের কাছে এস আই আর কে সহজ করে তোলা। মানুষ যাকে কঠিন ভাবছে, সেটা যে আরো সহজ সেটা আমরা সবাইকে বোঝাতে হবে। সন্ধ্যায় আপনি যদি ওয়ার্ড অফিস এ যান তবে দেখতে পারবেন কি পরিমানে ভীড় থাকছে মানুষের।
অনেকেই বুঝতে পারেন না, বয়স হয়েছে, তাদেরকে কাজটা সহজ করে দিতে হবে। আমার দায়িত্ব সবাইকে নিশ্চিত করে রাখা। যাতে সবার মনে একটাই কথা মনে হয় এস আই আর কোনো কঠিন ব্যাপার নয়। এটা করতে পারা যায় এতে কোনো বিপদ নেই। শ্রাবনী দত্ত মানুষের পাশে ছিল আছে এবং থাকবে।














