
ভোট পরবর্তী অশান্তির আবহে রাজ্যে ফের রক্তাক্ত ঘটনা। বুধবার গভীর রাতে ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা, যা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়।
জানা গেছে, রাতে গাড়িতে করে যাওয়ার সময় মাঝরাস্তায় গাড়ি থামিয়ে দেয় হামলাকারীরা। এরপর খুব কাছ থেকে চন্দ্রনাথ রথকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি চালানো হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।
এই হামলায় গাড়ির চালকও গুরুতর জখম হন। তাঁকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়ার পর বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও আপাতত তিনি জীবিত রয়েছেন।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে একই গাড়িতে থাকা সত্ত্বেও কেন প্রাণ হারালেন চন্দ্রনাথ রথ, আর কীভাবে বেঁচে গেলেন চালক? প্রাথমিক অনুমান, হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য ছিলেন চন্দ্রনাথ রথই। খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়, যার ফলে তাঁর আঘাত ছিল মারাত্মক। অন্যদিকে চালক গুলির আঘাত পেলেও তা তুলনামূলকভাবে কম গুরুতর হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যান বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। রাজনৈতিক কারণে এই হামলা কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।














